Home Blog

অন্যান্য ভাষার পাশাপাশি মাতৃভাষাও শিখতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ভাষা আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য রক্ষা করে। কাজেই আন্তর্জাতিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে অন্যভাষা যেমন শিখতে হবে, তেমনি মাতৃভাষাও শিখতে হবে। সেইসঙ্গে আমাদের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষাটাও সংরক্ষণ করতে হবে।

রোববার মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট আয়োজিত চার দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেন। বিকেলে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গণভবন থেকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সংযুক্ত হন শেখ হাসিনা। খবর বাসসের

একইসঙ্গে বিশ্বের সব ভাষা সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ভাষার অধিকার রক্ষা করা, ভাষাকে সম্মান দেওয়া এবং পৃথিবীর হারিয়ে যাওয়া ভাষাগুলো সংরক্ষণের জন্যই আমি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট গড়ে তুলেছি। এখানে ভাষা যাদুঘর করা হয়েছে। সারাবিশ্বের হারিয়ে যাওয়া ভাষা এবং চলমান ভাষার নমুনা এখানে রাখা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের, আমরা রক্ত দিয়ে ভাষার কথা লিখে গেছি। কাজেই অন্য ভাষাগুলো যাতে হারিয়ে না যায়, এর অস্তিত্ব যে আছে, সেটা যেন প্রকাশ পায়, সেজন্য আমরা এ ব্যবস্থা নিয়েছি। কাজেই এটা আমি মনে করি বাংলাদেশের জন্য একটা সম্মানজনক প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানকে দ্বিতীয় ক্যাটাগরিতে উন্নীত করায় তিনি ইউনেস্কোকে ধন্যবাদও জানান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট সম্পর্কে বলেন, ভাষা নিয়ে পড়াশোনা, ভাষার ইতিহাস সংগ্রহ করা এবং এ ব্যাপারে যারা শিক্ষা ও গবেষণা করবেন, তারা যেন সুযোগ পান, সে ব্যবস্থা এখানে রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা সংরক্ষণ করা গেলে তারা সেই ভাষায় শিক্ষা গ্রহণ করতে পারবে। সেজন্য আমরা যখন বিনামূল্যে বই দিচ্ছি, তখন তাদের বইগুলো ছাপিয়ে বিনামূল্যে দিয়ে দিচ্ছি, যাতে তারাও নিজের ভাষা শিখতে এবং কথা বলতে পারে, সেদিকে আমরা বিশেষ দৃষ্টি দিয়েছি।

ভাষা নিয়ে গবেষণার স্বীকৃতিস্বরূপ জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রথমবারের মতো এ বছর থেকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা জাতীয় পদক-২০২১’ ও ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা আন্তর্জাতিক পদক-২০২১’ প্রবর্তন করেছে সরকার। প্রতি দুই বছর পর পর এ সম্মাননা দেওয়া হবে।

জাতীয় অধ্যাপক, গবেষক ও লেখক রফিকুল ইসলাম এবং খাগড়াছড়ি জাবরং ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী পরিচালক মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা বাংলাদেশে বিদ্যমান বিভিন্ন মাতৃভাষার কার্যক্রম ও বিকাশ প্রশস্ত করার স্বীকৃতিস্বরূপ প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা জাতীয় পদকে ভূষিত হয়েছেন।

এছাড়া উজবেকিস্তানের ইসমাইলভ গুলম মির জায়ালিজ এবং বলিভিয়ার অনলাইনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান অ্যাক্টিভিজমো লিংগুয়ান বা ল্যাংগুয়েজ অ্যাকটিভিজম আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা আন্তর্জাতিক পদকে ভূষিত হয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি পুরস্কার জয়ী অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম এবং মথুরা বিকাশ ত্রিপুরার হাতে পদক তুলে দেন। উজবেক ইসমাইলভ গুলম মির জায়ালিজের পক্ষে ঢাকায় উজবেকিস্তানের অনারারি কনস্যাল তাহের শাহ এবং বলিভিয়ার সংস্থার পক্ষে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন পুরস্কার গ্রহণ করেন।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। ইউনেস্কোর হেড অব অফিস এবং বাংলাদেশ প্রতিনিধি বিটট্রেস কালদুন বক্তব্য রাখেন। এছাড়া বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবিবুল্লাহ সিরাজী ‘ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধ’ শীর্ষক একটি মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক এবং উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহব্বু হোসেন এতে স্বাগত বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান ও সকল ভাষা শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা-ভালোবাসা জ্ঞাপন করেন এস এস সি বন্ধন ২০০১ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জোন

মোঃ সাইফুল আলম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, টপ টাইমস ব্রাহ্মণবাড়িয়া:
‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’- আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরীর কথা ও শহীদ আলতাফ মাহমুদের অমর সুরে ফুটে ওঠা গভীর অনুভব ও বেদনার দিন একুশে ফেব্রুয়ারি আজ। আত্মত্যাগের অহংকারে জ্বলে ওঠার অনন্য এক দিন আজ। এই দিনে বিনম্র শ্রদ্ধা, যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্য পরিবেশে ভাষা শহীদদের স্মরণ করছে সারা দেশের মানুষ।

বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে গর্ব আর শোকের এই দিন পালন করছে জাতি। শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানাচ্ছে সবাই। তবে করোনা মহামারির কারণে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদনের আয়োজনটি এবার হচ্ছে সীমিত পরিসরে।

মুষ্টিবদ্ধ হাতে গর্বে বুক ফুলিয়ে বলুন, এই ধরিত্রীর বুকে আমরাই ‘মায়ের মুখের ভাষার জন্য হাসিমুখে জীবন দেয়া’ একমাত্র জাতি।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান, সকল ভাষা শহীদের প্রতি অন্তর্নিহিত শ্রদ্ধা-ভালোবাসা জ্ঞাপন করেন এস এস সি বন্ধন ২০০১ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জোন । এতে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জোনের সম্মানিত সভাপতি জনাব মোহাম্মদ রাহিম সাধারণ সম্পাদক শাহীন আহমেদ জয় সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আসাদুজ্জামান মনির সহ আরও অনেকে।

আখাউড়া পৌরসভা নির্বাচনে ৫নং ওয়ার্ডের মোঃ শিপন হায়দারের নিরঙ্কুশ জয়

মোঃ আলমগির উসমান ভুঁইয়া, আখাউড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়াঃ
আখাউড়া পৌরসভা নির্বাচনের মেয়র ও কাউন্সিলর ফলাফল পাওয়া গেছে। মেয়র হিসেবে বেসরকারিভাবে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী তাকজিল খলিফা কাজল বিজয়ী হয়েছেন। আর ৫নং ওয়ার্ডের মোঃ শিপন হায়দার নিরঙ্কুশভাবে জয় লাভ করেন। ফলাফল আসার পর তাৎক্ষনিক এক প্রতিক্রিয়ায় মোঃ শিপন হায়দার বলেন, এই বিজয় সবার। এই বিজয় ভালবাসার। এই বিজয় ৫নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগনের। আশা করছি সবাই আমার পাশে থাকবেন এবং এই ওয়ার্ডকে এগিয়ে নিতে সবাই সহযোগিতা করবেন।

তিনি আরও বলেন, আমার ভাই সাগর হোসেনসহ নির্বাচনী প্রচারণা থেকে শুরু করে ফলাফল পর্যন্ত সকল সহযোদ্ধাদের জানাই অনেক ধন্যবাদ ও বিশেষ অভিনন্দন। যারা যারা আমায় ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ এবং তাদের পাশে আমি সব সময়ই আছি ও থাকবো।

এছাড়া কাউন্সিলর প্রার্থীদের মাঝে ১নং ওয়ার্ডের স্বপন মিয়া, ২নং ওয়ার্ডের তাকবির খাদেম, ৩নং ওয়ার্ডের এনাম খাদেম, ৪নং ওয়ার্ডের মোঃ ইমরান, ৫নং ওয়ার্ডের মোঃ শিপন হায়দার, ৬নং ওয়ার্ডের সুজন মিয়া, ৭নং ওয়ার্ডের শেখ ঈশান, ৮নং ওয়ার্ডের বাবুল সর্দার এবং ৯নং ওয়ার্ডের বাহার মিয়া বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।

মেয়র তাকজিল খলিফা কাজল আখাউড়া পৌরসভায় পর পর তিন বার বিজয়ী হলেন। এলাকাবাসী পক্ষ থেকে অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। কাজল পেয়েছেন ১৫ হাজার ১৪৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী জয়নাল আবেদীন আব্দু ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৭৭৮ ভোট, এছাড়া নারিকেল গাছ প্রতীকে মোঃ নূরুল হক ভূঁইয়া পেয়েছেন ৫৬২ ভোট, মোবাইল ফোন প্রতীকে মোঃ শফিকুল ইসলাম পেয়েছেন ২৪৪ ভোট৷

এর আগে আখাউড়া পৌরবাসী এক উৎসব মুখর পরিবেশে ভোট দিয়েছেন তাদের নিজ নিজ পছন্দের প্রার্থীকে। এবার ভোট গ্রহন করা হয় ইভিএম পদ্ধতিতে। আখাউড়া পৌরসভার ১১টি ভোট কেন্দ্রের ৮২টি ভোট কক্ষে ভোট দিয়েছেন ভোটাররা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও আখাউড়া পৌরসভা নির্বাচন রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. জিল্লুর রহমান বলেন, প্রতিটি কেন্দ্রে ইভিএম এর মাধ্যমে ভোট গ্রহণ সুষ্ঠ এবং সর্বোপরি শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহন হয়েছে।

আখাউড়া পৌরসভা নির্বাচনের ফলাফল

মোঃ আলমগির উসমান ভুঁইয়া, আখাউড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়াঃ
আখাউড়া পৌরসভা নির্বাচনের মেয়র ও কাউন্সিলর ফলাফল পাওয়া গেছে। মেয়র হিসেবে বেসরকারিভাবে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী তাকজিল খলিফা কাজল বিজয়ী হয়েছেন। এছাড়া কাউন্সিলর প্রার্থীদের মাঝে ১নং ওয়ার্ডের স্বপন মিয়া, ২নং ওয়ার্ডের তাকবির খাদেম, ৩নং ওয়ার্ডের এনাম খাদেম, ৪নং ওয়ার্ডের মোঃ ইমরান, ৫নং ওয়ার্ডের মোঃ শিপন হায়দার, ৬নং ওয়ার্ডের সুজন মিয়া, ৭নং ওয়ার্ডের শেখ ঈশান, ৮নং ওয়ার্ডের বাবুল সর্দার এবং ৯নং ওয়ার্ডের বাহার মিয়া বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।

মেয়র তাকজিল খলিফা কাজল আখাউড়া পৌরসভায় পর পর তিন বার বিজয়ী হলেন। এলাকাবাসী পক্ষ থেকে অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। কাজল পেয়েছেন ১৫ হাজার ১৪৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী জয়নাল আবেদীন আব্দু ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৭৭৮ ভোট, এছাড়া নারিকেল গাছ প্রতীকে মোঃ নূরুল হক ভূঁইয়া পেয়েছেন ৫৬২ ভোট, মোবাইল ফোন প্রতীকে মোঃ শফিকুল ইসলাম পেয়েছেন ২৪৪ ভোট৷

এর আগে আখাউড়া পৌরবাসী এক উৎসব মুখর পরিবেশে ভোট দিয়েছেন তাদের নিজ নিজ পছন্দের প্রার্থীকে। এবার ভোট গ্রহন করা হয় ইভিএম পদ্ধতিতে। আখাউড়া পৌরসভার ১১টি ভোট কেন্দ্রের ৮২টি ভোট কক্ষে ভোট দিয়েছেন ভোটাররা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও আখাউড়া পৌরসভা নির্বাচন রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. জিল্লুর রহমান বলেন, প্রতিটি কেন্দ্রে ইভিএম এর মাধ্যমে ভোট গ্রহণ সুষ্ঠ এবং সর্বোপরি শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহন হয়েছে।

আখাউড়ায় তৃতীয়বারের মত মেয়র হতে যাচ্ছেন কাজল

আখাউড়া পৌরসভা নির্বাচনে বেসরকারিভাবে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী তাকজিল খলিফা কাজল বিজয়ী। তিনি পেয়েছেন ১৫ হাজার ১৪৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী জয়নাল আবেদীন আব্দু ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৭৭৮ ভোট, এছাড়া নারিকেল গাছ প্রতীকে মোঃ নূরুল হক ভূঁইয়া পেয়েছেন ৫৬২ ভোট, মোবাইল ফোন প্রতীকে মোঃ শফিকুল ইসলাম পেয়েছেন ২৪৪ ভোট৷

শায়খুল হাদিস আল্লামা বেলায়েতুল্লাহ নূরের ইন্তেকাল

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন, জেলা জামে মসজিদের খতিব ও ঐতিহ্যবাহী জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদরাসা শায়খুল হাদিস মাওলানা বেলায়েতুল্লাহ নূর ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

শনিবার সকাল ১০টায় ঢাকার বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৯ বছর। তিনি ডায়াবেটিস ও কিডনিজনিত বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৩ ছেলে ও ৪ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন রেখে যান। তার মৃত্যুতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শোকের ছায়া নেমে আসে। শনিবার বাদ মাগরিব জেলা ঈদগাহ ময়দানে নামাজে জানাযা শেষে পৌর এলাকার শিমরাইলকান্দি কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ মুফতি মাওলানা মোবারক উল্লাহ। মাওলানা বেলায়েতুল্লাহ নূর জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদরাসা ও ভারতের ঐতিহ্যবাহী দেওবন্দ মাদরাসায় পড়াশোনা করেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জামে মসজিদে খতিব আল্লামা বেলায়েতুল্লাহ নূর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রয়াত মুফতি নূরুল্লাহ ৪র্থ ছেলে ছিলেন। আল্লামা বেলায়েতুল্লাহ নূর জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসা ও ভারতের ঐতিহ্যবাহী দেওবন্দ মাদ্রাসায় লেখাপড়া করেন। তিনি গাজীপুর বরমী ও জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতেন।

চলমান উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে দলমত-নির্বিশেষে উন্নয়নের প্রতীক নৌকায় ভোট দিন

শনিবার সন্ধ্যায় পৌর এলাকার ৫নং ওয়ার্ডের মধ্যপাড়ায় খনকার বাড়ি মোড়ে এক নির্বাচনী বিশাল নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। পলি কমল প্রি-ক্যাডেট স্কুলের অধ্যক্ষ লায়লা মঞ্জুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন আওয়ামীলীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী মিসেস নায়ার কবির।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আল-মামুন সরকার, জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি মুজিবুর রহমান বাবুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল বারী চৌধুরী মন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক এডঃ মাহবুবুল আলম খোকন, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি হাজী মোঃ মুসলিম মিয়া, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দের মধ্যে সাবেক ভিপি জায়েদুল হক, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি এড. লোকমান হোসেন, সাধারণ সম্পাদক এম. সাইদুজ্জামান আরিফ, এম এ মালেক চৌধুরী, এড. গোলাম মহিউদ্দিন স্বপন, রফিকুল ইসলাম, জামাল মিয়া, সাবেক কমিশনার কামাল উদ্দিন, তাপস পাল, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল হোসন রুবেল, সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন শোভনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সভা পরিচালনা করেন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি কবির হোসেন কানু। সভায় বক্তারা বলেন, ভোটাররা এখন অনেক সচেতন। সবাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার উন্নয়ন চান। উন্নয়নের জন্য ক্ষমতার চেইন দরকার। ভোটাররা সেই বিবেচনায় দলমত-নির্বিশেষে উন্নয়নের প্রতীক নৌকায় ভোট দেবেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকা মার্কায় ভোট দিন। গত নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনার মনোনীত প্রার্থী মিসেস নায়ার কবির মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন বলেই পৌরসভার অনেক ভালো ভালো কাজ হয়েছে। আগামী ২৮ তারিখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা নির্বাচনে শেখ হাসিনার মনোনিত প্রার্থী মিসেস নায়ার কবিরকে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করে চলমান উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে হবে। গড়তে হবে আধুনিক পৌরসভা। ভোটের দিন নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে পৌরবাসীর ভাগ্য উন্নয়নে অংশ নিন।

আখাউড়া পৌরসভা নির্বাচনে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ চলছে

আখাউড়া পৌরসভা নির্বাচ‌নের ভোটগ্রহণ চলছে। পৌরসভার ১১টি ভোট কেন্দ্রের ৮২টি ভোট কক্ষে ইভিএম পদ্ধিতিতে ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা।

ভোট কেন্দ্রগুলো হলো, আখাউড়া পৌরসভার দুর্গাপুর টানপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শাহপীর কল্লা শহীদ উচ্চ বিদ্যালয়, বাংলাদেশ রেলওয়ে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, আখাউড়া নাসরিন নবী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, রাধানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শহীদ স্মৃতি ডিগ্রী কলেজ (উত্তর বিল্ডিং), শহীদ স্মৃতি ডিগ্রী কলেজ (পূর্ব বিল্ডিং), শাহপীর সুলতান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দেবগ্রাম পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় (উত্তর-পূর্ব বিল্ডিং), দেবগ্রাম পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় (পূর্ব বিল্ডিং) এবং তারাগন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

আখাউড়া পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে চারজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরা হলেন- আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের তাকজিল খলিফা কাজল, বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের জয়নাল আবেদীন আব্দু,স্বতন্ত্র প্রার্থী নূরুল হক ভুইয়ার নারিকেল এবং শফিকুল ইসলাম খানের প্রতীক মুঠোফোন। পৌরসভায় মেয়র পদসহ ৯টি সাধারণ ওয়ার্ড এবং ০৩টি সংরক্ষিত
ওয়ার্ডের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা। আখাউড়া পৌরসভার মোট ভোটার ২৮হাজার ৯০৫ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৪ হাজার ২৩০জন এবং ১৪ হাজার ৬৭৫ মহিলা ভোটার।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও আখাউড়া পৌরসভা নির্বাচন রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. জিল্লুর রহমান বলেন, প্রতিটি কেন্দ্রে ইভিএম এর মাধ্যমে ভোট গ্রহণ চলছে এবং সেটা চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

বিএনপির ২৯ নেতাকর্মী রিমান্ডে

রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গতকাল শনিবার বিক্ষোভ সমাবেশের শেষের দিকে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ২৯ জনের দুদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। রবিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াছির আহসান চৌধুরী এ রিমান্ডের আদেশ দেন।

রিমান্ডে যাওয়া আসামিদের মধ্যে প্রথম ১৩ জন রমনা থানার এক মামলার এবং পরের ১৬ জন শাহবাগ থানার আরেক মামলার আসামি।

রমনা থানার মামলায় রিমান্ডে যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন- শরিফ উদ্দিন ওরফে জুয়েল, ওবায়দুল্লাহ নাঈম, নাদিম হোসেন, আব্দুর রশিদ, হোসেন মিয়া, আল আমিন মোল্লা, মিল্টন শেখ, সানোয়ার, জহির, রুবেল, এবাদুল, হামিদুল ইসলাম ও মহসিন।

অপরদিকে শাহবাগ থানায় হওয়া মামলায় রিমান্ডের আসামিরা হলেন- জাকির হোসেন, পারভেজ রেজা, খন্দকার মুজাহিদুল ইসলাম, সওগাতুল ইসলাম, মিনহাজুল হক নয়ন, শওকত উল ইসলাম, সজীব, শামীম রেজা, শাওন জমাদ্দার, ইমন শেখ, নজরুল ইসলাম, সাজ্জাদ, রহমান রানা, মোস্তফা, মাহমুদুল হাসান ওরফে মাকসুদুল হাসান ও পলাশ মিয়া।

আসামিদের মধ্যে শাহবাগ থানার মামলায় ১৬ আসামির ১০ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা এসআই গোলাম হোসেন খান। রমনা থানার মামলায় ১৩ আসামির সাত দিন করে রিমান্ড চান এসআই সহিদুল ওসমান মাসুম।

আসামিদের পক্ষে অ্যাডভোকেট হোসেন আলী খান হাসানসহ কয়েকজন আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে রিমান্ডের আদেশ দেন।

আসামিপক্ষে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হোসেন আলী খান হাসানসহ কয়েকজন আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে রিমান্ডের আদেশ দেন।

গত শনিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) প্রেসক্লাবের সামনে প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মুক্তিযুদ্ধের খেতাব বাতিলের প্রস্তাবের প্রতিবাদে সমাবেশ ডাকে বিএনপি। এদিন সকাল ১০টায় সমাবেশ শুরুর কথা থাকলেও অনেক আগে থেকেই নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে আসতে থাকেন। সমাবেশকে ঘিরে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

এরমধ্যে প্রেসক্লাবের সামনের রাস্তায় যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে নেতাকর্মীদের বাকবিতণ্ডা ও সংঘর্ষ হয়। এতে সমাবেশ পণ্ড হয়ে যায়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে এসব নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে।

হোয়াইটওয়াশের লজ্জা পেল মুমিনুল বাহিনী

শেষ প্রর্যন্ত হেরেই গেল বাংলাদেশ দল। ১৭ রানে এই হারের স্বাধ গ্রহন করতে হয় টাইগারদের । ২৩১ রানের মামুলি টার্গেট তাড়া করে ২১৩ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ দল।

ম্যাচের চতুর্থ দিনে আজ ঢাকা টেস্ট জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল একটু মনযোগ, ধৈর্য্য আর টেস্ট মানসিকতার। কিন্তু বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানরা এসবের ধার ধারেন না। নিয়মিত বিরতিতে পড়তে থাকে উইকেট। এর আগে ক্যারিবীয়দের দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ১১৭ রানে গুটিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ। এর আগে তারা প্রথম ইনিংসে ৪০৯ রান করার সুবাদে এসেছিল ১১৩ রানের লিড। বল হাতে কাজটা সেরে দেন তাইজুল ইসলাম (৪ উইকেট) আর নাঈম হাসান (৩ উইকেট)।

জয়ের জন্য ২৩১ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে যথারীতি খেই হারিয়ে ফেলে স্বাগতিকরা। ৫৯ রানের ওপেনিং জুটি গড়েছিলেন সৌম্য সরকার আর তামিম ইকবাল। দলে নিজের অস্তিত্ব সংকটে ভোগা সৌম্য (১৩) আজও ব্যর্থ। ব্রাফেটের বলে কাট করতে গিয়ে ক্যাচ দেন কর্নওয়ালের হাতে। ক্যারিয়ারের ২৮তম টেস্ট ফিফটি তুলে আর এগোতে পারেননি তামিম। পুরো ট্যুরে ব্যর্থতার পরিচয় দেওয়া নাজমুল হোসেন শান্ত (১১) আজও ‘ধারাবাহিকতা’ ধরে রেখেছেন।

দলীয় রান ১০১ ছুঁতেই ওয়ারিক্যানের শিকার হন মুশফিক (১৪)। প্রথম ইনিংসে ধৈর্যের পরিচয় দেওয়া মোহাম্মদ মিঠুন (১০) আজ আর ধৈর্য্য ধরে রাখতে পারেননি। ১১৫ রানে ৫ উইকেট পতনের পর লিটন দাস এবং অধিনায়ক মুমিনুল হক দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন। কিন্তু ওই যে, সমস্যা হলো মানসিকতায়। অধিনায়কের যে দায়িত্ব নিয়ে খেলা উচিত ছিল, তিনি সেটা করেননি। দলীয় ১৪৭ রানে ওয়ারিক্যানের বলে কর্নওয়ালের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন ২৬ রানে।

প্রথম ইনিংসে ভালো খেলেছিলেন লিটন দাস। আজ পারেননি। ৩৫ বলে ২২ রান করে শিকার হন কর্নওয়ালের। ১৫৩ রানে ৭ম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। পরাজয় তখন সময়ের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। জয় থেকে মাত্র ৬৮ রান দূরে থাকতে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে পড়েন তাইজুল ইসলাম (৮)। শিকারী সেই কর্নওয়াল।

সংক্ষিপ্ত স্কোর: বাংলাদেশ- দ্বিতীয় ইনিংস: ৬২ ওভারে ২১৩ (টার্গেট ২৩১)

ওয়েস্ট ইন্ডিজ- দ্বিতীয় ইনিংস: ৫২.৫ ওভারে ১১৭/১০, লিড ২৩০

বাংলাদেশ- প্রথম ইনিংস: ৯৬.৫ ওভারে ২৯৬/১০ (তাইজুল ১৩*)

ওয়েস্ট ইন্ডিজ- প্রথম ইনিংস: ১৪২.২ ওভারে ৪০৯/১০ (কর্নওয়াল ৪*)