25 C
Brahmanbaria
Friday, November 27, 2020
Home Blog

কলেজপাড়ায় নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু, আহত এক

0
কলেজপাড়ায় নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু আহত এক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নির্মাণাধীন তিনতলা ভবন থেকে পড়ে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা শহরের কলেজপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত মাইনুদ্দিন পৌর এলাকা ভাদুঘরের জালু মিয়ার ছেলে। এই ঘটনায় হৃদয় (১৭) নামের আরও এক শ্রমিক বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আহত হয়েছে।

মাইনুদ্দিনের ভাই মাসুম মিয়া জানান, জেলা শহরের কলেজপাড়ায় নির্মাণাধীন একটি তিনতলা ভবনের ছাদের ঢালাই দিতে মাইনুদ্দিন সহ শ্রমিকরা কাজ করছিলেন।বৃহস্পতিবার দুপুরের ছাদের রড বিছানোর সময় পাশের বিদ্যুতের খুঁটিতে স্পৃষ্ট হয়। এসময় রড হাতে থাকা মাইনুদ্দিন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তিনতলা থেকে নিচে পড়ে গিয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। তার সাথে থাকা হৃদয় আহত হয়। পরে হতাহতদের জেলা সদর হাসপাতালে অন্যান্য শ্রমিকরা নিয়ে আসে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহিম জানান, খবর পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ দিলে আইননুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আখাউড়ায় প্রকাশ্যে দিনে দুপুরে নারীর স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ছিনতাই

0
আখাউড়ায় প্রকাশ্যে দিনে দুপুরে নারীর স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ছিনতাই

আখাউড়ায় রুমা আক্তার (৩৫) নামে এক প্রবাসীর স্ত্রীর কাছ থেকে দিনে দুপুরে সোনার হার, কানের দুল ও মোবাইল ফোন ছিনতাই করে নিয়ে গেছে ছিনতাইকারী চক্র। আজ মঙ্গলবার দুপুরে আখাউড়া পৌরশহরের সড়কবাজারে এ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে।ছিনতাইয়ের শিকার ওই নারী উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়নের কুড়িপাইকা গ্রামের সৌদিআরব প্রবাসী ইউসুফ মোল্লার স্ত্রী।জানাগেছে, ওই নারী মার্কেটে কেনাকাটা শেষে মিষ্টি কিনার জন্য দোকানে যাচ্ছিলেন।

এসময় পৌরশহরের পোষ্ট অফিসের সামনে পৌছলে দুজন অপরিচিত লোক তাকে প্রলোভন দেখিয়ে কৃষি ব্যাংকের গলিতে নিয়ে তার হাতে একটি ব্যাগ দিয়ে রাখতে বলে। এ সময় রুমাকে তার গলার থাকা স্বর্ণের দেড় ভরি ওজনের হার, কানের দুল ও তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নিয়ে চক্রটি কৌশলে পালিয়ে যায়। পরে মহিলা ছিনতাই কারী বলতে বলতে কান্নায় জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। জ্ঞান ফিরলে রুমা জানান, তাদের দেখলে সে চিনতে পারবেন।এ বিষয়ে আখাউড়া থানার ওসি রসুল আহম্মদ নিজামী জানান, স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ছিনতাইয়ের কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে খোঁজ নিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নিবেন বলে তিনি জানিয়েছেন।

বিজয়নগরে বাস ও ট্রাক্টরের সংঘর্ষে ৩ জন নিহত

0
বিজয়নগরে বাস ও ট্রাক্টরের সংঘর্ষে ৩ জন নিহত, সরাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় অটোরিক্সা চালক নিহত

বিজয়নগরে আজ বুধবার সন্ধ্যার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উপজেলার রামপুরে এলাকায় বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ এ ৩ জন নিহত হয়েছে এবং আরও পাঁচজন আহত হয়েছে । নিহতরা হলেন- জেলার বিজয়নগর উপজেলার চরইসলামপুর গ্রামের মৃত সাঈদ মিয়ার ছেলে আক্তার হোসেন (৫০), মৃত সোলমান মিয়ার ছেলে রমজান মিয়া (৬০) ও মৃত হাবিবুল্লা মিয়ার ছেলে শহীদুল্লা (৩০)।

হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ রাজ্জাক মিয়া জানান, সিলেটগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের সাথে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পাওয়ার টিলারের সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই পাওয়ার টিলারের তিন আরোহী মারা যান। এ দুর্ঘটনায় বাসের পাঁচজন যাত্রী আহত হয়েছেন। আহতদেরকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।

আখাউড়ায় র‍্যাবের অভিযানে ট্রেনের টিকেটসহ আটক ৪

0
আখাউড়ায় র‍্যাবের অভিযানে ট্রেনের টিকেটসহ আটক ৪, আখাউড়ায় ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ করায় ২ যুবক আটক, বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ঘেরাও ১০ নেতা আটক, জাল দলিল বানানোর অভিযোগে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সহ ৩ জন কারাগারে, বিজয়নগরে চার মাদক ব্যবসায়ী আটক

আখাউড়া রেলওয়ে ষ্টেশনে র‍্যাবের অভিযানে বিভিন্ন ট্রেনের ১১১ টি টিকেটসহ ৪ টিকিট কালোবাজারিকে আটক করেছে র‍্যাব ১৪, সিপিসি-৩ ভৈরব ক্যাম্প।

বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রেলওয়ে ষ্টেশন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১১১টি বিভিন্ন ট্রেনের টিকেট ও ৮৫০০ টিকেট বিক্রির টাকাসহ তাদেরকে আটক করা হয়।

আটকৃতরা হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার দুবলা গ্রামের মৃত মহরম আলীর ছেলে মোঃমিলন মিয়া,কুমিল্লা জেলার কোতুয়ালী থানার ধর্মপুর গ্রামের মৃত সাধু মিয়ার ছেলে মোঃ মজিবুর রহমান,ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার শ্যামনগর গ্রামের আবুল খায়ের খলিফার ছেলে মোঃ স্বপন খলিফা ও আখাউড়া থানার রুপনগর গ্রামের বায়েক মিয়ার ছেলে মোঃপারভেজ মিয়া।

র‍্যাব-১৪, ভৈরব ক্যাম্পের প্রেস রিলিজ থেকে জানা যায়, র‍্যাব-১৪, সিপিসি-৩ ভৈরব ক্যাম্প গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, আখাউড়া রেল স্টেশন এলাকায় একটি অসাধু চক্র দীর্ঘ দিন যাবত ট্রেনের টিকেট কালোবাজারী করে বিক্রয় করে আসছে।এ তথ্যর সত্যতা যাচাইয়ের জন্য ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি চক্রের উপর র‍্যাবের নিরবিচ্ছিন্ন গোয়েন্দা নজরদারি চালানো হয় এবং তথ্যের সত্যতা পাওয়া যায়। পরে ভৈরব ক্যাম্পের কমান্ডার এএসপি মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেনের নেতৃত্বে ভৈরব র‍্যাব ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর)রাতে অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে আটক করে।তাদের দেহ তল্লাশি করে বিভিন্ন ট্রেনের ১১১ টি ট্রেনের টিকেট ও ৮৫০০ টিকেট বিক্রির টাকা উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়। জব্দকৃত আলামতের আনুমানিক মূল্য ২৩ হাজার পাঁচশত টাকা।আসামীদের বিরুদ্ধে আখাউড়া রেলওয়ে থানায় মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন বলেও জানানো হয়।

বিদায় ম্যারাডোনা, চলে গেছেন না ফেরার দেশে

0
বিদায় ম্যারাডোনা চলে গেছেন না ফেরার দেশে

জীবনের খেলা শেষ! পার্থিব সব বন্ধন কাটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন ফুটবল ঈশ্বর দিয়েগো ম্যারাডোনা। রেখে গেলেন এক মহাকাব্যিক ইতিহাস। যাবার বেলায় কাঁদিয়ে গেলেন কোটি কোটি ভক্ত-সমর্থককে। ম্যারাডোনা শুধু ‘আর্জেন্টিনা’ বা ‘বিশ্বকাপজয়ী’ ফুটবলারের নাম ছিল না। কোনো দেশ বা সীমানায় আটকে ছিল না তার আবির্ভাব। তিনি ছিলেন মনোমুগ্ধকারী এক বিশ্বব্রহ্মচারী।

জীবনে উৎসবের দিন, আয়োজনের দিন নির্ধারণ সম্ভব। কিন্তু অনিবার্য আঘাতের নয়। সেই আঘাতই এলো গতকাল রাতে আর্জেন্টিনার তিগ্রে থেকে। নিজের বাসায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মাত্র ৬০ বছর বয়সে চিরবিদায় নিয়ে গেলেন ফুটবলের অমর জাদুকর। তিনি ছিলেন ফুটবল আকাশের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র। আবার ব্যক্তি মানুষ হিসেবে অনন্য এক বর্ণাঢ্য চরিত্র। অসাধারণ হয়েও তিনি হয়ে ওঠেন সাধারণ মানুষ অতি প্রিয়জন। যার সঙ্গে তাকে জীবনভর তুলনা করে গেছেন সবাই, সেই পেলে তার পরম বন্ধুর মৃত্যুতে চোখ মুছলেন- টুইটারে লিখলেন- ‘একদিন আকাশে ফুটবল খেলব আমরা।’ সেখানেও কি সেই তর্কটা চলবে? ফুটবল ইতিহাসে কে সেরা- ফুটবলের রাজপুত্র পেলে, নাকি ফুটবলের ঈশ্বর ‘ম্যারাডোনা’?

বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তিনি। কিন্তু হাসপাতালে যাওয়ার লোক তো তিনি নন। মনের জোরে ভেতরের অসুস্থতা চাপা দিয়ে রেখেছিলেন। তারপরও পরিবার থেকে বুয়েন্স আয়ার্সের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। জটিল অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল তার মস্তিস্কে। একটু সুস্থ হতেই ফের বাড়ি ফেরার বায়না। আট দিন হাসপাতালে কাটিয়ে অ্যালকোহলের আসক্তি দূর করতে রিহ্যাবেও নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বাড়ি ফেরার জন্য খুব অস্থির হয়ে উঠেছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত বাড়িতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ম্যারাডোনা। ফুটবল পায়ে দুর্দান্ত ড্রিবলিংয়ে জীবনে কত ডিফেন্ডারকে কাটিয়েছেন, ডি-বক্সে প্রতিপক্ষকে বোকা বানিয়ে কতশত গোল করেছেন! কিন্তু এবার আর পারলেন না মৃত্যুকে ঠেকাতে। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে তিনি মনোমুগ্ধ করে দিয়েছিলেন গোটা বিশ্বকে, যার ছোঁয়া লেগেছিল এই বাংলাদেশেও। মূলত ওই বিশ্বকাপ থেকেই, ওই প্রজন্ম থেকেই এ দেশে বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার পতাকা ওঠে ছাদে। ম্যারাডোনার ওই বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তার ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলটি আইকনিক হয়ে ওঠে। ১৯৯০ বিশ্বকাপেও তিনি আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে তুলেছিলেন। কিন্তু সেরা হতে পারেননি। ১৯৯৭ সালে ফুটবলকে বিদায় জানানোর পর কোচিং শুরু করেছিলেন। ২০০৮ থেকে ২০১০ পর্যন্ত মেসিদেরও কোচ ছিলেন। কিন্তু বিশ্বকাপ ট্রফি জেতাতে পারেননি।

আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস এক প্রতিবেদনে জানায়, বুধবার স্থানীয় সময় বিকেলে হার্ট অ্যাটাকের শিকার হন ম্যারাডোনা। এই অসুস্থতা থেকে আর ফিরতে পারেননি তিনি। এ ছাড়া সংবাদমাধ্যম কারিনও এই কিংবদন্তির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। আর্জেন্টিনার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান ক্লাদিও তাপিয়া শোকবার্তায় বলেছেন, আমাদের কিংবদন্তির মৃত্যুতে আমরা গভীর শোকাহত। দিয়েগো আর্মান্দো ম্যারাডোনা- সব সময় তুমি আমাদের হৃদয়ে থাকবে।

আর দেখা যাবে না চিরচেনা হাসিমুখ কিংবা কোনো ডাগআউট আর ফুটবলের মিলনমেলায়। চলে গেলেন পরপারে, রেখে গেলেন অসংখ্য স্মৃতি আর অর্জন। যে খাতা উল্টেপাল্টে দেখেও শেষ করা যাবে না। কখনও ক্লাব, কখনও নিজ দেশ আবার কখনও কোচ হয়ে- তিন অঙ্গনে ছিল তার সমান বিচরণ। জিতেছেন, জিতিয়েছেন; লিখেছেন কত রূপকথার কাব্য! এমন দিনে সেসবে চোখ দিলে হয়তো মনেও হবে না, এই ধরায় নেই আর ফুটবল ঈশ্বর।

রাতের আকাশে তাকালে আমরা যে তারাগুলো দেখতে পাই, তাদের অনেকেরই জীবন ফুরিয়ে গেছে বহু বছর আগে। আমাদের থেকে তারাগুলো এতই দূরে যে, তাদের কারও কারও আলো আমাদের এই গ্রহে এসে পৌঁছতে লেগে যায় কয়েক হাজার বছর। তাই নিভে যাওয়ার মুহূর্তেই তার শরীর থেকে যে আলো বিচ্ছুরিত হয়েছে, সে আলো কয়েক হাজার বছর নেবে আমাদের এই পৃথিবীতে এসে পড়তে। ভাবলে অবাকই লাগে, হয়তো এমন অনেক মৃত তারাদের আলোতেই আজও সেজে ওঠে আমাদের গ্রহের আকাশ। তাদের মৃত্যুর পরও তাদের আলো ছুটতে থাকে মহাকাশের দীর্ঘ রাস্তা পেরিয়ে। তাই মৃত্যু মানেই অনস্তিত্ব নয়, মৃত্যু মানেই অনুপস্থিতি নয়। অন্তত নক্ষত্রদের বেলায় তো তা নয়ই। ম্যারাডোনা ফুটবলেরই তেমনই এক নক্ষত্র, যিনি সশরীরে সরে গেলেও তার আলো এসে আমাদের কাছে পৌঁছবে আরও অগণন বছর ধরে।

আর্জেন্টিনার হয়ে

দীর্ঘ ক্যারিয়ার; সেই শৈশব পেরিয়ে কৈশোর, এরপর ধীরে ধীরে আরও পরিণত হওয়া। সবই যে তার ফুটবল ঘিরেই। তার মধ্যে দেশের জার্সিতে সবচেয়ে বর্ণিল সময়টা ছিল তার ১৯৮৬। ম্যাজিক্যাল একটা বছর- যে বছরটা ইতিহাসে লেখা থাকবে স্বর্ণাক্ষরে। শুধু এই ম্যারাডোনার জন্যই। হয়তো রয়েছে নানা কথা, নানা বিতর্ক। কিন্তু দিন শেষে এই ‘৮৬-এর মধ্য দিয়েই আর্জেন্টিনাকে তিনি উপহার দেন বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফিটা। বড় এই প্রাপ্তির সঙ্গে তার জীবনের বাঁকও বদলে যায়। যে ম্যারাডোনাকে নির্দিষ্ট একটা অঞ্চল বা একটা অংশ চিনেছিল, সেদিনের পর থেকে সারাবিশ্বের মানুষের মনে গেঁথে যায় তার নাম।

ক্লাবের জার্সিতে

ক্লাব ক্যারিয়ারে তিনি লম্বা সময় ছিলেন ন্যাপোলি আর বার্সেলোনায়। এ দুই ক্লাব ছাড়াও বোকা জুনিয়র্স, ওল্ড বয়েজ ও সেভিয়ার হয়ে মাঠ মাতিয়েছেন তিনি। তবে প্রাপ্তির মালা খুব একটা পরা হয়নি এই অঙ্গনে এসে। ন্যাপোলির হয়ে জিতেছেন দু’বার লিগ শিরোপা, একবার করে ইতালিয়ান কাপ, ইতালিয়ান সুপার কাপ আর উয়েফা কাপ। বার্সার হয়ে একটি করে স্প্যানিশ কাপ, স্প্যানিশ সুপার কাপ ও স্প্যানিশ লিগ কাপ জিতেছেন তিনি।

কোচ হিসেবে

বুটজোড়া তুলে রাখার পর ম্যারাডোনা মন দেন কোচিংয়ে। এখানটায়ও খুব একটা সফলতা পাননি। তবে অল্পদিনে বেশ কয়েকটি ক্লাবে তার পা পড়ে। যার মধ্যে ২০০৮ থেকে ২০১০ সাল অবধি আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের কোচের দায়িত্ব পালন করেন। সেখান থেকে শূন্যহাতে বিদায় নিয়ে যোগ দেন আমিরাতের ক্লাবে; সেখানেও আলো ছড়াতে ব্যর্থ হন ম্যারাডোনা। অল্পদিনের মাথায় নতুন ঠিকানা আর্জেন্টিনার ক্লাব দেপোর্তিভোর সহকারী কোচ হিসেবে। ভালো লাগেনি তার আরেকজনের অধীনে থাকতে। ছেড়ে চলে যান মেক্সিকোতে। সেখাকার নামকরা ক্লাব দোরাদোসের কোচ হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হন। কিন্তু মনের মতো দল সাজাতে না পেরে ২০১৯ সালের দিকে আবারও দেশে ফেরেন। এবার স্বদেশি ক্লাব জিমনেশিয়ার হয়ে কাজ শুরু করেন। শুরুর দিকে দলকে সেভাবে সাফল্য এনে দিতে না পারলেও সময়ের সঙ্গে পালল্গা দিয়ে বাড়তে থাকে তার সুনাম। ক্লাবের মালিকও তাকে আপন করে নেন। তবে শরীরটা যেন আর এগোতে চায় না। যত দিন যায়, তত বাড়ে নানা ব্যাধি। সর্বশেষ মস্তিস্কের সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে যান তিনি। সেখানে সফল অস্ত্রোপচারও হয়। কিন্তু বাড়ি ফিরে আর প্রাণের ক্লাব জিমনেশিয়ায় ফেরা হয়নি ফুটবল সম্রাটের।

পারিবারিক জীবন

বুয়েন্স আয়ার্সের কাছে ছোট্ট শহর লানুসে ১৯৬০ সালের ৩০ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন ম্যারাডোনা। গরিব বাবা-মায়ের ঘরে চার মেয়ের পর জন্ম নেন দিয়েগো। মাত্র আট বছর বয়সে একটি ট্যালেন্ট হান্ট প্রতিযোগিতা থেকে প্রথম ক্লাব এস্তেলা রোজা তাকে বেছে নেয়। তার পর থেকে আর কখনোই পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তার। ১৯৮৪ সালের ৭ নভেম্বর ক্লদিয়া ভিলাফানেকে বিয়ে করেন ম্যারাডোনা। তাদের সংসারে দুই কন্যা ডালমা নিরিয়া এবং জিয়ানিয়া দিনরো। কিন্তু ক্লদিয়ার সঙ্গে ২০০৪ সালে ছাড়াছাড়ি হয়ে যায় তার। এরপরই অনিয়ন্ত্রিত জীবন শুরু হয়। ইতালির ন্যাপোলিতে খেলার সময়ই বেশ কয়েকজন নারীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। বিভিন্ন সময় বান্ধবীর সঙ্গে আদালতেও যেতে হয়েছে তাকে। তবে চার্চে গিয়ে আর কাউকেই কখনও বিয়ের আংটি পরাননি। আশির দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত কোকেনে আসক্ত ছিলেন তিনি। ১৯৮৩ সালে বার্সেলোনায় খেলার সময় প্রথম ড্রাগ নিয়ে ধরা পড়েন। এক সময় ১৩০ কেজি ওজন নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয় তাকে।

রাজনৈতিক দর্শন

আর্জেন্টিনার সাবেক প্রেসিডেন্ট কার্লোস মিনিমের সঙ্গে সক্ষতা থেকেই বাম রাজনৈতিক আদর্শে অনুপ্রাণিত হতে থাকেন ম্যারাডোনা। কিউবার নেতা ফিদেল কাস্ত্রো ছিলেন তার কাছের বন্ধু। তিনি তার প্রতি এতটাই অনুগত ছিলেন, মৃত্যুর আগে পর্যন্তও তার বাঁ-হাতে কাস্ত্রো আর ডান হাতে চে গুয়েভারার ট্যাটু অঁহ্নাকা ছিল। সারাবিশ্বের নির্যাতিতদের প্রতি আর একটা আপন ভালোবাসা ছিল। তার এই রাজনৈতিক ভাবাদর্শের কারণেই যুক্তরাষ্ট্র সরকার তাকে সে দেশে যেতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল।

গরিব বলে অবহেলা, যৌতুকের দাবিতে নাসিরনগরে নারী নির্যাতন

0
গরিব বলে অবহেলা যৌতুকের দাবিতে নাসিরনগরে নারী নির্যাতন

নিজস্ব প্রতিনিধি, নাসিরনগর, টপ টাইমষ ব্রাহ্মণবাড়িয়া:

যৌতুকের জন্য বাংলাদেশে নারী নির্যাতন কোনো নতুন ঘটনা নয়৷ তবে নতুন কথা হলো, সাম্প্রতিক এক তথ্যে মহিলা পরিষদ জানিয়েছে যে, যৌতুকের কারণে নারী নির্যাতনের ঘটনা বাংলাদেশে বাড়ছেই৷

যৌতুকের জন্য নির্যাতন জন্ম দিয়েছেন অভূতপূর্ব এক ঘটনা৷ তার সাহসিকতায়, প্রতিবাদে আলোড়ন তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের শহরে শহরে, মফস্বলে এমনকি দূর গ্রামেও৷ যৌতুক দাবিতে অনেক অসহায় গরীব দরিদ্র পরিবারের কণ্যার সংসার বেঙ্গে যাচ্ছে।

ব্রামণবাড়িয়া.নাসিরনগর উপজেলা. ১৩নং ইউনিয়ন ধরমন্ডল গ্রামে নারী নির্যাতন ও প্রানহানি অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, ২০১৪ সালের ৭ মার্চ দৌলতপুর গ্রামের আব্দুল হাসিমের ছেলে মোঃ পাবেলের সঙ্গে পার্শ্ববর্তি ধরমন্ডল গ্রামের মৃত বলু মিয়ার মেয়ে মোছাম্মত আওলিয়া আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় নগদ ২ লাখ টাকা গাড়ীর জন্য, স্বর্ণ ও সাংসারিক জিনিসপত্রসহ আরও ২ লাখ টাকার জিনিসপত্র দেন।

মোছাম্মদ আওলিয়া আক্তারের অভিযোগ, সন্তান জন্মের পরপরই তার শাশুড়ি পরামর্শে তার কাছে আবার ১ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে তার স্বামী। যৌতুকের দাবিতে তাকে শারীরিক নির্যাতনও করতো। তিন সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে নির্যাতন সহ্য করে বাবা-ভাইয়ের কাছ থেকে এ পর্যন্ত বিয়ের সময় ২ লাখ টাকা দিয়েছেন। কিন্তু তাতেও তার মন ভরেনি। আরও যৌতুকের দাবিতে তাকে নির্যাতন করতে থাকে। কোনো এক শুক্রবার দুপুরের দিকে রান্না শেষ করে ঘরে গেলে বিশেষ টাকার প্রয়োজন বলে তার স্বামী আবারও ২ লাখ টাকা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকার করলে তার তলপেটে লাথি মারে এবং সঙ্গে সঙ্গে তিনি পড়ে যান। তিনি কান্নাকাটি শুরু করলে পাশের ঘর থেকে শাশুড়ি এসে তাকে চড়, কিল, লাথি মারে। এক পর্যায়ে তার স্বামী গলায় গামছা পেঁচিয়ে স্বামী ও শাশুড়ি শশুর শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করে, কোনো মানুষ তাদের গিয়ে বাধা দেওয়ার মতো সক্ষমতা নেই বলে কেউ বাধাও দিতে আসেনি।

যৌতুক লোভীর স্বামীর বিচার ও শাস্তি দাবি করে জানান ১৩ নং ধরমন্ডল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ বাহার চৌধুরী বলেন- বিষয়টা সমাধান করার জন্য স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে বার বার আমি বিষয়টি তদন্ত করে আইনের সহযোগিতা মাধ্যমে যথাযথ ব্যবস্থা নেব।

এ ব্যাপারে জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী ও তার পরিবার। পরবর্তিতে আরো বড় কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে।

গোলাম সারোয়ার সাঈদী আর নেই

0
গোলাম সারোয়ার সাঈদী আর নেই

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার আড়াইবাড়ি আলিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ, পীরসাহেব গোলাম সারোয়ার সাঈদী (৫২) ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

শনিবার (২১ নভেম্বর) ভোররাত ৪টা ২০ মিনিটে তিনি ইন্তেকাল করেছেন বলে মরহুমের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে। আজ বাদ আসর কসবার আড়াইবাড়ি মূল দরবার শরিফে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

মরহুমের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বেশকিছু দিন ঢাকার এপোলো হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকার পর শনিবার ভোর সাড়ে চারটায় তিনি ইন্তেকাল করেন।

উল্লেখ্য গোলাম সারোয়ার সাঈদী আড়াইবাড়ীর মরহুম পীর আল্লামা গোলাম হাক্কানীর (রহ.) সাহেবজাদা, আল্লামা কামালুদ্দিন জাফরীর পৌত্রা ও ড. মিজানুর রহমান আজহারীর নানা। তিনি ছিলেন আরও অনেক আলেমের আত্মীয়।

তিনি ছিলেন সুবক্তা ও ওয়ায়েজ। বিগত কয়েক বছরে ইউটিউবে দীনের বিভিন্ন বিষয়ের উপর তার বয়ান ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। তার ইন্তেকালে কসবা আড়াইবাড়ীসহ এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আখাউড়ায় হিন্দু পরিবারের জায়গা উদ্ধারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

0
আখাউড়ায় হিন্দু পরিবারের জায়গা উদ্ধারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

আখাউড়ায় দুটি হিন্দু পরিবারের বেদখল হওয়া ভিটি ভূমি উদ্ধারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভূক্তভোগি পরিবারের সদস্যরা।আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে পৌরশহরের রাধানগর নিজ বাড়িতে এ সংবাদ সম্মেলন করেন টিটন বনিক ও লিটন বনিক পরিবার। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন টিটন বনিকের ছোট ভাই শিপন বনিক। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, রাধানগর মৌজার এসএ ১৬৬, বিএস ২৬৭ ও ২৬৮ দাগে আমাদের ১৮.১৮ শতাংশ ভিটি ভূমি ছিল।

এরমধ্যে বিএস জরিপের সময় উক্ত ভূমির কিছু অংশ পাশের বাড়ির বিল্লাল ও তাজুল ইসলামের নামে রেকর্ড হয়। বিএস রেকর্ড হওয়ার কারণে বিল্লাল ও তাজুল ইসলাম আমাদের ভূমি জবর দখল করে রেখেছে। ভূমি ছাড়ার জন্য বিল্লাল ও তাজুল ইসলাম বলা হলেও তারা দখল ছাড়ছে না। বরং আমাদেরকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধমকি দিয়ে যাচ্ছে। এসব ভূমি জবর দখলের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে মামলা করেছি। মামলায় আমাদের পক্ষে রায় এসেছে। তারপরও অবৈধ দখলদাররা আদালতের রায় অমান্য করে আমাদের বাড়ি ভূমি দখল করে রেখেছে। আমাদের ভূমি উদ্ধারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য আইনমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।


সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, অবৈধ দখলদার গং আমাদের জায়গা না ছাড়লে পর্যায়ক্রমে মানববন্ধন ও অনশন কর্মসূচি পালন করব। তাতেও দাবী আদায় না হলে ২৪ নভেম্বর আগরতলায় সীমান্তে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের জাতীয় পরিচয়পত্র হস্তান্তর ভারত সরকারের কাছে আশ্রয় প্রার্থনা কর্মসূচি পালন করব।
এ ব্যপারে জানতে চাইলে বিল্লাল মিয়া ও তাজুল ইসলাম বলেন, আমরা কারও সম্পত্তি দখল করিন এবং কাউকে হুমকি ধমকিও দেইনি। আমরা আমাদের ক্রয়কৃত ভূমিতে বসবাস করছি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিশু পার্কের উদ্বোধন

0
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিশু পার্কের উদ্বোধন

শুদের বিনোদনের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শিশু পার্ক “তিতাস” এর উদ্বোধন করা হয়েছে।

বুধবার বিকেলে শহরের শিমরাইলকান্দি এলাকায় তিতাস নদীর তীরবর্তী স্থানে পার্কটির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা খান।

এ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পঙ্কজ বড়–য়ার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন পৌর মেয়র নায়ার কবির, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজুর রহমান ওলিও প্রমূখ।

পার্কটির উদ্বোধন শেষে র্শিশুদের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। এ সময় শিশু ও তাদের অভিভাবকদের পদচারণায় মূখরিত হয়ে উঠে পুরো পার্কটি।

প্রসঙ্গত, সরকারের ১৫ শতক খাস ভূমিতে শিশুদের জন্য এই পার্কটি নির্মিত হয়েছে।

মাস্ক পড়াতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া কঠোর হচ্ছে মোবাইল কোর্ট

0
মাস্ক পড়াতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া কঠোর হচ্ছে মোবাইল কোর্ট

আসছে শীতে কোভিড মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানতে পারে। ইউরোপের দেশগুলোতে এরইমধ্যে এর প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা বলছেন, বাংলাদেশ এখনও প্রথম ঢেউ পার করলেও দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রস্তুতি হিসেবে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার প্রস্তুতি থাকা দরকার। সেই সাথে প্রয়োজন নির্ভরযোগ্য তথ্যপ্রবাহের মাধ্যমে স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরি।

কোভিড প্রতিরোধে এখনও আলোর মুখ দেখেনি কার্যকর ভ্যাকসিন-বাংলাদেশে দৈনিক সংক্রমণ হাজার আর মৃত্যু ১০ এর নিচেও নামেনি। কিন্তু এ নিয়ে সচেতনতা যেন উধাও মানুষের মাঝে। অনেকে খবরই রাখেন না-ইউরোপে শত-সহস্র মৃত্যু আর আক্রান্তের পর, দুয়ারে আছরে পড়ছে মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা তো বটেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেও বেশ কয়েকবার দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ে সতর্ক করেছেন। কিন্তু সরকারের জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চোখে পড়ে না খুব একটা। অথচ চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বলছেন, জনসম্পৃক্ততা ছাড়া কোনো মহামারি ঠেকানো সম্ভব নয়।

তবে এবার মহামারি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে মানুষকে আরও সতর্ক ও সচেতন করার উদ্দেশে কঠোর হচ্ছে সরকার। সাধারণ মানুষকে মাস্ক পরানোসহ সচেতনতা বাড়াতে শুরু হচ্ছে অভিযান; পরিচালনা করা হবে ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব আনোয়ারুল ইসলাম এসব কথা জানান।

এদিকে, সরকারের উপরের মহলের নির্দেশনা বাস্তবায়নে মঙ্গলবার থেকে মাঠে কঠোর হচ্ছে জেলা প্রশাসন। চলমান থাকা ভ্রাম্যমান আদালতের তৎপরতা আরো বাড়ানো ঘোষণা দিয়ে জেলা প্রশাসক সকলকে সতর্ক করেছেন। সোমবার রাতেই তাঁর সরকারি ফেসবুক আইডি থেকে এ সতর্ক বার্তা পোস্ট করেন জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা খাঁন।